আবেগের বুদবুদ

ভালবাসা ছাড়া আর আছে কি?
ভালবাসা আদৌও আছে কি?
শুধু আবেগের বুদবুদ –
মন আর শরীরের খুত খুত।

যাওয়া

তোমার কাছে যাব বলে বসে আছি একেলা-
সবাই যায় প্রিয়র কাছে আমার যাওয়া হলো না।

বর্ণান্ধ

লব বড় না হর; তাই নিয়ে আজ দ্বন্দ্ব
তোমার আর আমার মাঝে ঝগড়াও নয় মন্দ।
দ্বন্দ্ব যদি না থাকে তো ক্যমনে পাবো ছন্দ?
যতই মানুষ খুজে ফিরুক অন্য কিছুর গন্ধ।
অমিল যদি না থাকে তো মনের দুয়ার বন্ধ-
দেখবো ক্যামনে রংধনু; হবো বর্ণান্ধ।

ভালবাসার জোনাকি

তোমায় আমি কি শেখাব
বলতে পারো সখি?
সখির সাথে শখ মেলে না-
তাইতো আমি দুখি।
তুমি শুধু দেখো নাকো; আমি দেখি
কিংবা দেখে পাখি –
মনটা আমার কেঁদে মরে
তবু শুস্ক থাকে আখি।
কিংবা জানে জোছনা আর
মিট-মিটানো জোনাকি-
ভালবাসা তবে কি হায়!
নাক – কানের সোনাকি?

আত্মমগ্ন

তোমার যদি ইচ্ছে করে
তাইলে ভালবেসো
নইলে তুমি ইচ্ছে ডানায়
সাগর জলে ভাসো।
বাসি ভাল বলছি আজো
আগের মতো-
তুমি শুধু নতুন করে
নিজেকে নিয়ে মাতো।

মেক আপ

তোমাকে জানতে চাই
জানাতে চাই আমাকে;
ভালবাসি শরীর-মন
তোমাকে চাই তামাকে।
ভালবাসি সেলফি,
শুধু নিজেকে
দিন রাত ক্লান্ত নই
সাজাতে আর মেকাপে।

ক্ষোভ

আমায় নিয়ে তোমার যখন এতো অভিযোগ-
নাই বা যদি থাকি আমি আর রবে কি ক্ষোভ?

সেলফিশ

জীবনে না জানি আপনি কতই আত্মত্যাগ, স্বার্থত্যাগ করেছেন।
যার জন্য করেছেন- সে কি জানে?
কিংবা আদৌও কি সেটি তার কাজে আসবে?
কিংবা সে কি চায় আপনার আত্মত্যাগ?
মানুষ নিজেই তার ভাল করতে পারে না- আর অন্যের?
সো বি সেলফিশ, সেলফসেন্টার।

ব্যস্ত

কবি এখন ব্যস্ত চাল আর চুলায়-
তুমি মিছে খোঁজ তারে আবেগ মাখা ধুলায়,
ধুলা সে তো ঝেড়ে ফেলা অতীত।
শুনবে না আর প্যানপ্যানানো গীত।

প্রেমে মজেছি

নিত্য এখন নিজের প্রেমে মজেছি যে সই
তোমায় নিয়ে কাব্য করার সময় মেলে কই?
তুমি থাকো তোমায় নিয়ে- নেইকো অভিযোগ।
আমি এখন নই আবেগী, করি উপভোগ।