তুমি বড়ই দুর্বোধ্য

মাঝে মাঝে হঠাৎ করে তুমি বড়ই দুর্বোধ্য হয়ে ওঠো…
আর আমি হয়ে যাই ক্যাবলা।
তখন বড্ড একা একা লাগে…
মনে হয় আমি দাঁড়িয়ে আছি কোন 
দিগন্ত হীন ফাঁকা মাঠে…
মাথার উপর নীল আকাশটা চারিদিক দিয়ে ঘিরে ধরে…
নিঃশ্বাস নিতে বড্ড কষ্ট হয়…
বুক টা ধড়ফড় করে…
হৃৎপিণ্ডটা আমাকে ছেড়ে চলে যেতে চায়…
আর আমি হা পিত্ত্যেশ করে মরি…
সত্যি বলছি- তুমি ছাড়া আমি বড় একা……

একদিন- সারাদিন

তুমি যদি একদিন-
ভালবাসি সারাদিন।
তুমি যদি একবার-
ফিরে আসি বার বার।

বিলুপ্তি

মাঝে মাঝে হঠাৎ করে মন খারাপ হয় ভারি-
ইস! যদি পারতাম দিতে সব কিছুর সাথে আড়ি।
ভাল হতে চায় না রে মন; খারাপ হবো খালি-
ইছে মতোন আচ্ছা করে দিতে পারতাম গালি।
আমি নাকি রাগী ভীষণ! সবাই করে অভিযোগ-
ভেবে ভেবে পাই না- ক্যামনে সারবে এ রোগ?
পাই না কিছুই মনের মতোন- নিত্য মানিয়ে নেয়া-
কম্প্রোমাইজ, টিকে থাকা আর তো না যায় সহা-
অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে, কিন্তু আরশোলা সহস্র বছর ব্যাপী টিকিয়া রহিয়াছে। 
তেলাপোকা হয়ে টিকে থাকবো নাকি স্ব-গৌরবে বিলুপ্ত হবো।?

দেখে যেও আমাকে

দেখতে যদি ইচ্ছে হয়-
দেখে যেও আমাকে।
সুখে আছি না আছি দুখে;
দেখে যেও আমাকে।
এখনও কি তোমাকে নিয়ে
ঝড় ওঠে এই বুকে?
এই মেয়ে, এই মেয়ে…
দেখে যেও আমাকে।
সূর্যটা ওঠে আজ আকাশে,
ফুলের সুবাস পাই বাতাসে,
রাত্রি আসে আজও আসে দিন,
বুকের এখানে করে চিন চিন।
চোখের জলে আমি
যাই নেয়ে…
এই মেয়ে, এই মেয়ে……
দেখে যেও আমাকে।
এখনও তো হাসে ঐ পরীরা,
আঁচল ওড়ায় ঐ নারীরা,
বাঁকা চোখের ঐ ইশারায়-
ডাকে তারা ডাকে আমায়।
তাহলে কেমনে বল ভুলি তোমাকে?
তাইতো এই গান যাই গেয়ে-
এই মেয়ে, এই মেয়ে……
দেখে যেও আমাকে।
ঝড়ের পাখি
১০-১২-০৩

ভালবাসি

তোমাকে ভালবাসি ততটা—
যতটা ভালবেসে ভেসে যায় বুকটা।

অমিল

তোমাকে আর হল না পাওয়া,
তোমার সময়ে -সুযোগে আমি হাওয়া
আমি তখন ক্যারিয়ারের পিছে।
তুমি তখন আমার পিছে ঘুরে মরো মিছে।
এখন আমার অঢেল সময়
ব্যস্ত তুমি থাকতে কর্মময়।
আবার যখন হবে তোমার –
সময় হবে আমার চলার…

বুড়িয়েছি

আমার খুবই অল্প চাওয়া,
একটু নয়- গোটাটাই পাওয়া।
তুমি ভাবো বুঝি বদলে গেছি-
নাগো না; একটু বুড়িয়েছি।

জল কেলি

তোমার সাথে আমি এখন 
নিত্য সময় থাকি। 
তুমি থাকো নাইবা থাকো
আমি আছি সখি।
যেভাবেই হোক যেমন করেই-
খেলবো আমি হলি;
রঙ না পাই আপন রঙে-
মন রাঙিয়ে ফেলি।
জল না পাই চোখের জলে
খেলবো জল কেলি।

কবিতা মানে

কবিতা মানে প্রেম; কক্ষনো বা দ্রোহ;
তোমার প্রতি আমার জমানো হাজারো বিদ্রোহ।
কবিতা মানে মিথ্যে যে সব- যত সব বায়বীয়;
তোমার প্রতি বাউন্ডেলে আমি হয়ে যাই নমনীয়।
আকাশ রাঙা, বাতাসী ঘ্রাণ- মিলবে না কভু পরিত্রাণ-
সহসা জেগে ওঠা ক্ষোভ – নিমিষেই হয়ে যায় ম্লান।
কবিতা মানে বাজারের লিস্টি ভুলে শাব্দিক মিষ্টি।
কক্ষনো বা স্বাভাবিক উচ্চারিত হাজারো খিস্তি।
কবিতা মানে শরীর-মন; সম্মতি বা ধোঁকা,
বিরহ-যাতনা, মাথার ভিতর শত শত শব্দ পোকা।

ছুটি

কবিতা তোমায় আজকে দিলাম ছুটি
তুমি খাও ভাত; আমার জন্য শুকনা ২ খানা রুটি।