বৃথা আস্ফালন

আমার দ্বারা কিচ্ছু হবে না
গিজ গিজ করে মাথায় পোকা-
কুরে কুরে খায়-
আমি ভীষণ অসহায়।
আমি ভীষণ অস্থির
দানা বাঁধে অনিশ্চয়তার তীর।
হুট হাট – ঘুট ঘাট
করে ফেলি লুটপাট।
ছন্নছাড়া, হতচ্ছাড়া
পাগলাটে এক রগচটা-
ইচ্ছে করে দেই হাটা
অজানাতে বাড়িয়ে পা’ টা-
আমাকেই চিনছি নিত্য নতুন
তোমায় চেনা বৃথা আস্ফালন।
ঝড়ের পাখি
১৫-০৪-১৫

হার- জিত

ভাবছো আমি হেরেই গেছি;
জিতেই গেছো তুমি!
ক্যামনে তুমি পার পাবে হায়
করে আমায় অসহায়।

সমতল

আমার কি দোষ বলতে পারো?
এই চোখে ওচোখ রাখতে পারো- 
জবান যদিও মিথ্যা বলে 
চোখ করে না ছল!
মনটা আমার নয় যে গভীর
সে যে সমতল।

রাগ, অভিমান

রাগ, অভিমান দেখলে তুমি
ভালবাসা বুঝলে না;
কষ্ট পেয়ে দূরে গেলাম
কাছে কেন ডাকলে না।
আমার অনুভূতি প্রকাশ এমনই
একটু খানি খটমটে
কি করবো বলো কাঁদতে পারিনা
হয়ে গেছি খটখটে।
এখন আর কাল বৈশাখী নই
শ্রাবণ হয়ে ঝরতে চাই।
অল্প-স্বল্প নয়রে সখি
অনেককক খানি পাইতে চাই।

আত্মঘাতী

তোমায় যত আঘাত করি
আহত হই আমি;
পুড়ে মরি অহর্নিশ
আমার লাগানো আগুনে।
তোমায় যখন কাঁদাই আমি
নয়ন ভেজে জলে-

ভৃত্য-২

চিত্ত মোর করে নৃত্য,
তবু সিস্টেমের ভৃত্য।

তুমি নাটাই আমি ঘুরি

তোমার হাতের রঙিন চুড়ি
আমার মনে বাজায় তুড়ি;
কিংবা তুমি দুষ্ট বুড়ি,
আমায় নিয়ে ওড়াও ঘুড়ি-
তোমার হাতে নাটাই সুতা
আমি বৃথা উড়েই মরি।

প্রথম প্রেম

নতুন করে পাবো বলে তোমায় নিয়ে খেলেছিলাম;
অনেক না পাওয়ার ভিড়ে তোমায় আবার চেয়েছিলাম।
আশা ছিল অনেক কিছু
পাইনি আমি কোন কিছুই
তবু তুমি আমার ভালবাসা
আমার প্রথম প্রেম।

হরি

আমি যদি আমার মাঝে তোমায় খুঁজে মরি
তুমি তখন কেন বৃথাই খুঁজে ফেরো হরি।

পোকা

মাথার ভিতর গুনগুনিয়ে যাচ্ছে যে এক পোকা,
পোকা নয় অন্য কিছু- কিংবা কোন ধোকা।