অমিল

তোমাকে আর হল না পাওয়া,
তোমার সময়ে -সুযোগে আমি হাওয়া
আমি তখন ক্যারিয়ারের পিছে।
তুমি তখন আমার পিছে ঘুরে মরো মিছে।
এখন আমার অঢেল সময়
ব্যস্ত তুমি থাকতে কর্মময়।
আবার যখন হবে তোমার –
সময় হবে আমার চলার…

বুড়িয়েছি

আমার খুবই অল্প চাওয়া,
একটু নয়- গোটাটাই পাওয়া।
তুমি ভাবো বুঝি বদলে গেছি-
নাগো না; একটু বুড়িয়েছি।

জল কেলি

তোমার সাথে আমি এখন 
নিত্য সময় থাকি। 
তুমি থাকো নাইবা থাকো
আমি আছি সখি।
যেভাবেই হোক যেমন করেই-
খেলবো আমি হলি;
রঙ না পাই আপন রঙে-
মন রাঙিয়ে ফেলি।
জল না পাই চোখের জলে
খেলবো জল কেলি।

কবিতা মানে

কবিতা মানে প্রেম; কক্ষনো বা দ্রোহ;
তোমার প্রতি আমার জমানো হাজারো বিদ্রোহ।
কবিতা মানে মিথ্যে যে সব- যত সব বায়বীয়;
তোমার প্রতি বাউন্ডেলে আমি হয়ে যাই নমনীয়।
আকাশ রাঙা, বাতাসী ঘ্রাণ- মিলবে না কভু পরিত্রাণ-
সহসা জেগে ওঠা ক্ষোভ – নিমিষেই হয়ে যায় ম্লান।
কবিতা মানে বাজারের লিস্টি ভুলে শাব্দিক মিষ্টি।
কক্ষনো বা স্বাভাবিক উচ্চারিত হাজারো খিস্তি।
কবিতা মানে শরীর-মন; সম্মতি বা ধোঁকা,
বিরহ-যাতনা, মাথার ভিতর শত শত শব্দ পোকা।

ছুটি

কবিতা তোমায় আজকে দিলাম ছুটি
তুমি খাও ভাত; আমার জন্য শুকনা ২ খানা রুটি।

এলোমেলো মন

এলোমেলো মন খোঁজে সারক্ষন
শুধু তোমাকে, শুধু তোমাকে-
আনমনে, অনুক্ষণ অগোছালো ভাবে
তোমাকে আঁকে, তোমাকে আঁকে।

কাব্য

খুব স্বাদ ছিলে তোমাকে নিয়ে একখান কাব্য লিখে ফেলবো-
সেখানে থাকবে আমার সজানো না বলা সকল কথা গুলো।
তোমাকে নিয়ে কাব্য করা ছাড়া আর কিছুই আমার মাথায় আসে না।
না ঘুরতে যাওয়া; চুপিসারে অভিসার, নদীর পাড়ে হাত ধরে
একই পথে বারবার হেঁটে যাওয়া।
তোমাকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বাধ ও স্বপ্নও জাগে না বিন্দুমাত্র।
তবু ভালবাসার অদম্য ইচ্ছাটা জেগে থাকে অষ্টপ্রহর।

মন খারাপ এর কারণ

তোমার সব মন খারাপ হয়তো আমার কারনে নয়-
আমার অধিকাংশ মন খারাপ কিন্তু তোমাকেই ঘিরে হয়।
মাথাটা তখন ভীষণ বেইমানি করে; 
বড্ড বেশি ধুক পুক করে বুকটা।
ঘুমে চোখটা বুজে আসতে থাকে-
আর মাথাটা করতে থাকে বোঁ বোঁ;
আর আমি ঘুরে বেড়াই ভোঁ ভোঁ

নিঃশব্দ কলরব

তুমি আমার বন্ধু-সখা, তুমি আমার সব,
তুমি আমার চর্তুপার্শ্বে নিঃশব্দ কলরব।

ভালবাসা

নয়ন জলে বাঁধবো তোমায়-
রাখবো যে ফের স্বপনে।
বাসবো ভাল তোমায় ভালবাসার
মৃদু মৃদু কাঁপনে।