ক্ষোভ

আমায় নিয়ে তোমার যখন এতো অভিযোগ-
নাই বা যদি থাকি আমি আর রবে কি ক্ষোভ?

সেলফিশ

জীবনে না জানি আপনি কতই আত্মত্যাগ, স্বার্থত্যাগ করেছেন।
যার জন্য করেছেন- সে কি জানে?
কিংবা আদৌও কি সেটি তার কাজে আসবে?
কিংবা সে কি চায় আপনার আত্মত্যাগ?
মানুষ নিজেই তার ভাল করতে পারে না- আর অন্যের?
সো বি সেলফিশ, সেলফসেন্টার।

ব্যস্ত

কবি এখন ব্যস্ত চাল আর চুলায়-
তুমি মিছে খোঁজ তারে আবেগ মাখা ধুলায়,
ধুলা সে তো ঝেড়ে ফেলা অতীত।
শুনবে না আর প্যানপ্যানানো গীত।

প্রেমে মজেছি

নিত্য এখন নিজের প্রেমে মজেছি যে সই
তোমায় নিয়ে কাব্য করার সময় মেলে কই?
তুমি থাকো তোমায় নিয়ে- নেইকো অভিযোগ।
আমি এখন নই আবেগী, করি উপভোগ।

তুমি বড়ই দুর্বোধ্য

মাঝে মাঝে হঠাৎ করে তুমি বড়ই দুর্বোধ্য হয়ে ওঠো…
আর আমি হয়ে যাই ক্যাবলা।
তখন বড্ড একা একা লাগে…
মনে হয় আমি দাঁড়িয়ে আছি কোন 
দিগন্ত হীন ফাঁকা মাঠে…
মাথার উপর নীল আকাশটা চারিদিক দিয়ে ঘিরে ধরে…
নিঃশ্বাস নিতে বড্ড কষ্ট হয়…
বুক টা ধড়ফড় করে…
হৃৎপিণ্ডটা আমাকে ছেড়ে চলে যেতে চায়…
আর আমি হা পিত্ত্যেশ করে মরি…
সত্যি বলছি- তুমি ছাড়া আমি বড় একা……

একদিন- সারাদিন

তুমি যদি একদিন-
ভালবাসি সারাদিন।
তুমি যদি একবার-
ফিরে আসি বার বার।

বিলুপ্তি

মাঝে মাঝে হঠাৎ করে মন খারাপ হয় ভারি-
ইস! যদি পারতাম দিতে সব কিছুর সাথে আড়ি।
ভাল হতে চায় না রে মন; খারাপ হবো খালি-
ইছে মতোন আচ্ছা করে দিতে পারতাম গালি।
আমি নাকি রাগী ভীষণ! সবাই করে অভিযোগ-
ভেবে ভেবে পাই না- ক্যামনে সারবে এ রোগ?
পাই না কিছুই মনের মতোন- নিত্য মানিয়ে নেয়া-
কম্প্রোমাইজ, টিকে থাকা আর তো না যায় সহা-
অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে, কিন্তু আরশোলা সহস্র বছর ব্যাপী টিকিয়া রহিয়াছে। 
তেলাপোকা হয়ে টিকে থাকবো নাকি স্ব-গৌরবে বিলুপ্ত হবো।?

দেখে যেও আমাকে

দেখতে যদি ইচ্ছে হয়-
দেখে যেও আমাকে।
সুখে আছি না আছি দুখে;
দেখে যেও আমাকে।
এখনও কি তোমাকে নিয়ে
ঝড় ওঠে এই বুকে?
এই মেয়ে, এই মেয়ে…
দেখে যেও আমাকে।
সূর্যটা ওঠে আজ আকাশে,
ফুলের সুবাস পাই বাতাসে,
রাত্রি আসে আজও আসে দিন,
বুকের এখানে করে চিন চিন।
চোখের জলে আমি
যাই নেয়ে…
এই মেয়ে, এই মেয়ে……
দেখে যেও আমাকে।
এখনও তো হাসে ঐ পরীরা,
আঁচল ওড়ায় ঐ নারীরা,
বাঁকা চোখের ঐ ইশারায়-
ডাকে তারা ডাকে আমায়।
তাহলে কেমনে বল ভুলি তোমাকে?
তাইতো এই গান যাই গেয়ে-
এই মেয়ে, এই মেয়ে……
দেখে যেও আমাকে।
ঝড়ের পাখি
১০-১২-০৩

ভালবাসি

তোমাকে ভালবাসি ততটা—
যতটা ভালবেসে ভেসে যায় বুকটা।

মন আর মস্তিষ্ক

মন আর মস্তিষ্ক ২ শব্দের অদ্যাক্ষর ‘ম’ দিয়ে। অনেকেই বলে থাকেন এ দুটি নাকি এক এবং অভিন্ন। তবু প্রায় সবাই ২টির অবস্থান ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় নির্দেশ করে। একটি মাথায় আরেকটি বুকে।মস্তিস্কের অবস্থান হিসেবে মগজকে চিহ্নিত করা সম্ভব হলে, আজও পর্যন্ত মনের অবস্থানকে নির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়নি বলে জানি।
অনেক অনেক আগে মানুষ নামক প্রানিটির মনের আয়তন মস্তিকের আয়তন চেয়ে বিশাল ছিল বলে ধারণা করা হয়। মানুষ যত বেশি যৌক্তিক হয়েছে তার মস্তিকের আয়তনও বড় হয়েছে। সমান্তরাল ভাবে ছোট হয়েছে তার মন।মস্তিষ্ক কর্তৃত্ব করতে শুরু করেছে মনের উপর।
মানুষ শব্দটিকে অনেকেই ভাঙেন মন (আবেগ) +হুশ(মস্তিষ্ক)=মানুষ।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে মানুষ যৌক্তিক হতে হতে যদি আবেগ (মন) শুন্য হয়ে পড়ে তবুও কি তাকে মানুষ বলবো?
নাকি বিরাট মস্তিষ্ক এর নতুন কোন প্রানি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।