না


ওখানে
যেয়ো না তুমি
ওদিকে
যেয়ো না।
এটা করো
না তুমি,
ওটা করো
না।
একথা বোল
না তুমি,
ওকথা তো
কক্ষনোই নয়।
ওর সাথে
মিশো না তুমি
এর সাথেও
না।
এটা খেয়ো
না তুমি
ওটাও
খেয়ো না।
এ বই পড়ো
না তুমি
ও বইও
না।
প্রতিদিন এরকম হাজারো না শুনতে শুনতে বড়
হচ্ছে। ৩০ শে পদার্পণ করেও আজও আমি শুনি। এই সব না শুনতে শুনতে শুরু করেছি আমিও না
বলা। না, না, না।
আমাদের বাচ্চাগুলো কী শিখবে? না, না,  না!!! নাকি, না কে না বলে করবে মনে চায় যা। একসময়
সত্যি কারের না গুলকেও না বলে করে ফেলবে কোন না।
ঝড়ের পাখি
৩১-১২-১৪

উষ্ণতা

বন্ধু চলো আগুন বেঁচি, শিশির ভেজা জল;
সেই জলেতে দুঃখ আমার করছে টলমল।
হাত বাড়ালেই হাত মেলাবো, পা বাড়ালেই পাপ!
শরীরে মিললেই পাবে তাপ- হবে অনুতাপ।

বিচ্ছিরি এক বদখিচ্ছিরি, হতচ্ছাড়া আমি-
তোমার ছোঁয়ায় দেখো- হবো ভীষণ দামী!
রাখবো তোমায় বুকে ধরে কালন্তরে দিবাযামী,
শীতে দেবো উষ্ণতা আর ভালবাসার হামি।

ঝড়ের পাখি
০৩-১২-২০১৪
অক্ট্রয় মোড়, রাজশাহী।

looking for উষ্ণতা.

নারীবাদী

নয়নের জলে তোমার ছবি আঁকবো নয়নাভিরাম,
বনবাসী সীতা তুমি- আমি স্বার্থপর রাম।

রাবন থেকে বাঁচিয়ে তোমায় আগুনে ফের পোড়াব;
তোমায় পেয়ে ইচ্ছা করে আবার স্বেচ্ছা হারাবো।

রাবনের না হতে দেবো- আমার রানী না বানাবো-
ইচ্ছে মতন ভাঙবো তোমায়- রাগ অভিমান ভুলাবো।

ঝড়ের পাখি
২১-১২-১৪

জুটি

ভালবাসার ইঁদুর দৌঁড়ে তুমি হবে জুটি,
আমি টম- তুমি জেরী; করবো ছুটাছুটি।
ইচ্ছে মতন লাগবো পিছে- নিত্য খুনসুটি।
তুমি আমার ডোবা জলে- হারিয়ে যাওয়া পুঁটি।


ঝড়ের পাখি
২৯-১১-১৪

ব্যস্ততা

তোমাকে আর ডাকবো না কক্ষনো
করবো না আর বৃথা জ্বালাতন
তোমার মন চাইলেই এসো
না হয় ইচ্ছে ডানায় ভাসো।

আমি বলবো না তোমাকে
বলবো না সে কথা-
হাজার অনুনয়েও
মিছে করবো না যা তা।
আমি হবো ভীষণ হিসেবী,
করবো কারবারি- মোসেহেবী-
আনা-পাইয়ের হিসবা কসে
হবো দূরবাসী।
চাইলেও আর পাবে না সময়
হবে তুমি আমার স্মৃতিময়;
বুঝবে সেদিন- ইচ্ছে হলে
সব কিছু কি আর মেলে?
খুনসুটি গুলো বিঁধবে তোমায়
পাগলামি গুলো বাঁধবে তোমায়
আমার তখন ব্যস্ত সময়
অর্থের আল্পনায়।

 ঝড়ের পাখি
২৯-১১-১৪
অক্ট্রয় মোড়, রাজশাহী।

অপেক্ষা

তুমি আসবে কবে? বলে দিলেই পারো।
হুদা, হুদাই, কেন অপেক্ষাতে রাখো?
জানোই তো- অপেক্ষাকে ভীষণ ভয় পাই,
আস্তে আস্তে রাগতে শুরু করি।

বন্ধু তোমার হাতে ধরি, পায়ে পড়ি-
লক্ষ্মীটি আসো তাড়াতাড়ি।
রাত যে হল গভীর কালো;
নিভেছে শহরের সব আলো।
আমি শুধু তোমার প্রতীক্ষায়;
আর কতক্ষণ রইবো অপেক্ষায়?

ঝড়ের পাখি
২৯-১১-১৪
অক্ট্রয় মোড়, রাজশাহী।

ক্ষুদ্র

যতটা আঘাতে সবকিছু ভেঙে পড়ে
ততটা আঘাতেও দাঁড়িয়ে আছি–
পলকহীন শুষ্ক চোখে-
যতটা অবহেলায় ঘাস মরে যায়-
অবহেলায় প্রাণ ফিরে পেয়েছি;
ভালবাসতে শিখেছি আবারো উদ্দীপনায়।

তোমারে চোখে আজও আমি অদৃশ্যমান অণুজীব;
তোমার মনের যন্ত্রে যা ধরা পড়ে না;
জানোই সকল প্রাণের শুরুই সেই থেকে।
তবুও তুমি ব্যস্ত সংকটাপন্ন নীল তিমি
আরা শ্বেত হাতী নিয়ে।
আমি মরবো- আবার জন্মাবো তোমায় ভালবেসে।

ঝড়ের পাখি
২৮-১১-১৪
নৃবিজ্ঞান বিভাগ, রা বি।

বিমূর্ত ভালবাসা

তুমি তেমনই আছো-
যেমনটি দেখেছিলাম কোন এক মেঠো পথে।
তেমনই আছো; একরাশ মুগ্ধতা আমার চোখে।
নাকি আমিই বদলায় নি?
আছি সেই চোদ্দ বছরের প্রেমিক-কিশোর।

তাইতো আজো প্রেমে পড়ি-
পড়ে হৃদয়টা আবারো গেছে ছিরে-ছুলে।
অয়েন্টমেন্ট হবে না জানি সে ক্ষতের!
সময় কোথায়? কিংবা হারিয়েই গেছো ……
ভাত-রুটি আর সংসারী অভিনয়ের ব্যস্ততায়।
আমিও সবকিছুর সাথেও নস্টালজিক
তোমার প্রেমে…
আমি এক আপেক্ষিক, বিমূর্ত, অস্তিত্বহীন প্রেমিক।

ঝড়ের পাখি
২৮-১১-১৪
ক্যাম্পাস, রাবি।

চাওয়া

তোমাকে পাই না বহুদিন!
না দর্শন! দীর্ঘ …… পেয়েছি স্বর!
তারপর অখণ্ড অবসর………।
তুমি আছো তোমার রাজা আর রাজত্ব নিয়ে…
আমি নগণ্য প্রজা তোমার-
থাকি কুড়ে ঘরে।
চালার ফাকায় জোছনা ঝড়ে!

স্পর্শ চাইনা! দর্শনও না! স্বরও না!
তবুও চাই তোমায়-
জানি না ক্যমনে?

ঝড়ের পাখি
২৮-১১-১৪
ক্যাম্পাস, রা বি।

ভালবাসা ফেসবুকে

বার বার ঘুরে আসি চ্যাট বক্সে-
দেখি তোমার নামের পাশে সবুজ বাতি জ্বলছে কি না?
না পেয়ে ফিরে আসি-
এত সবুজ বাতির ভিড়ে- তোমার টাই শুধু ফিকে!
আমিও যে আগ্রহ নিয়ে যাই-
ঠিক তেমনই নিষ্প্রভ হয়ে যাই
পাংশু বর্ণ ধারণ করে মুখটা।
এটাও কি ভালবাসা।

তোমার একটি ছবি, লাইক, কমেন্ট- পোষ্ট!
যেন পূজার প্রসাদ- খাই চেটে-পুটে!
তোমাকে চাই একটিভ ফেসবুকে!!
সারা দিন করো মোরে পোক;
আমাকে ভাল রাখো, তোমার ভাল হোক।

 ঝড়ের পাখি
২৭-১১-১৪
নাচোল, চাঁপাই নাবাবগঞ্জ।