অপেক্ষা

আসলে না তুমি আজো
মন বসে নি কাজেও

অপেক্ষা

ক্যামনে হবে তাইলে
দেখা না পাইলে।

হও যদি বিরক্ত
করবো না আর ত্যক্ত;
তবু তুমি আসো
একটু খানি হাসো।
তোমার ঐ হাসিতে
ভালবাসা বাকিতে
বিলিয়ে দেবো
তোমারই হবো।
-ঝড়ের পাখি
২৬-১০-১৪

ভুল ভুলাইয়া

ভুল বুঝে দূরে গেলে ভুল ভাঙাবো না।
ভুল ভুলে ভুল হলে ভুল বুঝবো না।
মিছে আর বৃথা আমি ভুল খুজবো না।
ভুল গুলো ভুলই থাক সুধরাবো না।

-ঝড়ের পাখি
২৭-১০-১৪

আক্ষেপ

আমাদের নেই বাড়ি, নেই কোন ঘর;
থাকি মোরা হেথা সেথা- তাই যাযাবর।
সাধ আছে- নেই ছাঁদ; ভূমির কাঙআল,
বউ বলে, গাড়ি-বাড়ি- করি বাওয়াল।

সাধ তোর সাধ্য মোর

ওরে আমার ময়না-
করিস না আর বায়না!
তোরে আমি কিনে দিমু ভালবাসার গয়না।

ভালবাসার হামি-
সে যে সোনার চেয়ে দামি।
উষ্ণ আলিঙ্গনে তোমায় জড়িয়ে নেবো আমি।
টিকলি হবে চাঁদ-সুরুজে,
লতা পাতার বিছে।
মিছে কেন ঘুরে মরিস মরীচিকার পিছে।
বৃষ্টি হবে স্নানের শাওয়ার,
রোদ হবে হেয়ার ড্রেয়ার।
আমায় পেয়ে খুশি হয়ে করবি নিত্য প্রেয়ার।
আমার চোখে প্লাজমা টিভি-
বল না আর কী কী নি বি?
চাইয়ে দেখ বিশ্ব-জগৎ – মাঙার আগেই পাবি।
-ঝড়ের পাখি
২৮-১০-১৪

যুদ্ধ

করছি যুদ্ধ নিরন্তর-
দিবা নিশি অষ্ট প্রহর।
যুদ্ধ হচ্ছে তোমার সাথে
চুপ কথায় হাতে পাতে।
কিংবা গলির রিকশাওয়ালা,
সবজি, মাছ ও বাড়িওয়ালা।

বউ শ্বাশুড়ির যুদ্ধে…
তুমি আমি মুগ্ধ।
বস কলিগের যুদ্ধ
প্রফেশনালিজমের গন্ধ।

দেশের সাথে, ধর্মে-ধর্মে
রাজনীতি আর কর্মে,
এগুলা সব পুরান খবর,
কথায়, লেখায়, লাইকে কবর।

এসো তাই যুদ্ধ করি, যুদ্ধ নয় মরণ
যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সার্ব্বজনীন।

             -ঝড়ের পাখি
              AO-AO-AD

ভালবাসার ছন্দ

তুমি আসতে যখন
বিদ্যালয়ে;
        থাকতাম তোমার পথ চেয়ে,
চুপি চুপি আড়
নয়নে
        চাইতাম তোমার পথপানে।
মৃদু মৃদু হাসি
তোমার
        তীর বসাত বুকে আমার।
চাইতে যখন আমার
দিকে
        বদন খানি হতো ফিকে।
কোন মোহিনী
যাদু বলে
        প্রেম নামেরই মায়াজালে,
অদৃশ্য এক
আকর্ষণে
        পুলক আমার জাগত মনে।
চলন তোমার বলন
তোমার বলন তোমার
        সব কিছুতেই ছন্দ।
সেই ছন্দ দেখেই
        লেগে গেল ভালবাসার দন্দ।
নামটি তোমার
মধুর অতি,
        চোখ ধাঁধানো রুপ।
ঐ কাজল চোখের
চাহনিতে-
        কাঁপত আমার বুক।
যতক্ষণ থাকতে
তুমি
        আমার নয়ন জুড়ে,
দেখতাম তোমায়
চুপিসারে
আমি বারে বারে।
যখন আমি একা
থাকি
        কল্পনার তুলি দিয়ে
ভালবাসার রং
নিয়ে
        তোমার ছবি আঁকি।
এই যদি হয়
ভালবাসা-
        ভালবাসি আমি।
তুমিই বল বিচার
করে
        করেছি কি দোষ আমি।
                        -ঝড়ের
পাখি

                        BE-OB-OC

ঈদের খুশি

এসেছে ঈদ,
নাইযে নিদ;
দু’ চোখেতে আজ
রাতে।
কাল সকালে করবো
যে ঈদ
গরীব দুখী এক
সাথে।
থাকবে না আজ
ক্সত-ক্লেশ,
দুঃখ ভুলিয়া
হাসবো।
একসাথে মোরা
গলাগলি
করে আনন্দেতে
মাতবো।
থাকবে না কেউ
চুপটি মেরে
একাকী ঘরের
কোণে;
আসবে সবাই ঈদের
মাঠে
হাসি খুশি মনে।
ফিরনি পায়েস
খাবো মোরা
করে কাড়াকাড়ি।
ধরা থেকে সব
দুঃখ উবে
যাবে তাড়াতাড়ি।
বাড়াবাড়ি হোক
না আজ
মা-বাবা কেউ
বকবে না,
খেলবো সবাই
হাসি খুশি মনে
ধমক দিয়ে কেউ
ডাকবে না।
মনের জানালা
খুলে দেবো আজ
সংকীর্ণতা
রাখবো না।
ঘুনে ধরা
সমাজটা আর
এমন ভাবে থাকবে
না।
শপথ নিলাম
নবীনরা মোরা
মহা মিলনের
দিনে-
ধরাটাকে মোরা
সাজাবো আবার
ফুল ফসল আর
গানে।
                -ঝড়ের পাখি

                OD-OE-OB

বদলে গেছো

হঠাৎ করে কেন জানি মনে হচ্ছে……
তুমি আর আমাকে আগের মত ভালবাসো না!
তুমি হটাৎ করে এমন কৃপণ হয়ে গেলে কেন?
ভালবাসার মাঝে এত দাড়ি, কমা, পূর্ণচ্ছেদ
কেন?
কেন তুমি এত হিসেবি হলে?
আমাকে ভালবাসতে শিখিয়ে-
তুমি আজ নিশ্চুপ কেন?
এখন আর গভীর রাতে ফোনটা বাজে না;
শুনিনা তোমার কণ্ঠস্বর; কিংবা আবেগী
অভিমান।
তুমি আর আগের মত চপলিনী নেই-
ধীর, শান্ত এক গভীর পুস্কনি।
তুমি কেমন জানি নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছ-
লাজ্জাবতীর বিষণ্ণ লাতার মতো।
চুপ! কথা বল না।
আমি তোমাকে ভালবাসবো, ভালবাসতে ইচ্ছা
হচ্ছে।
আমাকে তো আর আদর করো না!
না কি ভালবাস না?
          -ঝড়ের
পাখি

          BH-OG-OG

বর্ষার ক্ষণে

গুড়-গুড়
মেঘ ডাকছে,
দ্রিম
দ্রিম বাজ;
ছোট্ট
খোকা দেখে বলে
মেঘের
মাথায় তাজ।
ঝর-ঝর ঝর অঝর ধারে
ঝরছে শুধুই বারি,
আমি কেবল ভেবেই মরি-
দুঃখ কিবা তারি।
         
          যেমন
খুশি খেলছে সে
          মেঘের
সাথে আমার কেবল
          উড়তে
ইচ্ছা করে।
          তোমার
পরে রাগ হচ্ছে
          কাঁদছ
কেন ভায়,
          তোমার
কাঁদন দেখে আমার
          কান্না
ভারি পায়।
                            
                             মা বলছে আদর করে
ওরে দুষ্ট সোনা!
বাইরে আজি ঝরছে বারি,
খেলতে যাওয়া মানা।
আমি শুধুই ভাবছি বসে,
খেলার সাথী আছে বসে,
বাড়ী থেকে ঐ যে হোথা-
গাছটি মাঠের পাশে।
          আমার
কথা ভাবছে সে
          বসে
গাছের তলে,
          ঠিকই
সে ভিজছে এখন
          আকাশের
জলে।
          অভিমান
করে শেষে
          চলে যাবে বাড়ি।
          তাই
কেবল তোমার পরে
রাগ হচ্ছে ভারি।
আজকে কেন হঠাৎ করে
কাঁদছ মিছে বসে?
খেলা ধুলা ছেড়ে থাকতে হবে
ঘরের কোনে বসে।
         
খোকার ছোট্ট মনের মতো
          আমার
মনটা কেমন করে
মেঘের কাঁদার সাথে সাথে
কাঁদতে ইচ্ছে করে।
         
          কেউ
কাঁদে প্রিয়ার লাগি,
          কেউবা
পেটের টানে।
          কাল
যে তাদের উপোস যাবে
          জানে
সে তা জানে।
          কাজ
হয়নি আজকে তার
          চালও
নেই ঘরে
          এমন
করে অনেকে তাই
          কেঁদে
কেঁদে মরে।
                             -ঝড়ের
পাখি
                             ০৭-০৯-০৩

LOVE LETTER

ভাল লাগে তোমাকে
     তোমার চোখের মৃদু পলক
             ঠোঁটের ভীরু কাঁপন।
ভাল লাগে
       বৃষ্টিতে ভেজা
              চোখের পাপড়ি।

ভাল লাগে
        নাকের উপর
              বিন্দু বিন্দু ঘাম।

ভাল লাগে গোলাপী চিক
        ভালো লাগে কালো চুল;
                    চুলের গন্ধ-

ভাল লাগে
        কপালে দাপাদাপি
                  করা উড়ো চুল।

ভাল লাগে
      তোমার ছোঁয়া
                 স্পর্শ মৃদু মন্দ।

ভাল লাগে তোমার সানিধ্য;
          তোমার পাশে বসে
                  দুষ্টামি করতে।

তাই তোমাকে ভাল বাসি
            ভাল লাগে
                   তোমাকেই ভাল বাসতে।

                                         – ঝড়ের পাখি
                                           AC-OI-OF