কি আর সব মেলে
হারালে…
ঈশ্বর মনে করেন, সমস্ত কালোই খামারের সেকেলে (অবহৃত) জঞ্জাল (যন্ত্রপাতি),
ঈশ্বর মনে করেন, ইহুদীরা তার পুত্রকে হত্যা করেছে এবং তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।
ঈশ্বর মনে করেন, সাদা মানুষ মাত্রই শয়তান-
ঈশ্বর (মনে করেন), তারা (সাদারা) ঈশ্বরের মনের খবর জানেন।
ঈশ্বর মনে করেন, আমাদের সকলের ইহুদীধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া উচিত;
ঈশ্বর মনে করেন, আমাদের সকলের অবশ্যই খ্রিস্টান হতে হবে এবং
অবশ্যই আমাদের সকলের ইসলামকে আলিঙ্গন করা উচিত;
ঈশ্বর মনে করেন, একমাত্র সত্য ধর্ম হচ্ছে হিন্দুধর্ম।
আর আমি-
আমি জানি, ঈশ্বর কি মনে করেন?-
ঈশ্বর মনে করেন, তুমি একটা পঁচা গলিত মাংস বই কিছুই নও।
ঈশ্বরের প্রথম পছন্দ একজন নাস্তিক!
ঈশ্বর মনে করেন, তোমার মত সকল মানুষই মন্দ,
ঈশ্বর মনে করেন, তোমার মত সকল মানুষই এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের জন্য (অপমানজনক/ কুলাঙ্গার) বিব্রত কর বিষয়;
তুমি আত্মকেন্দ্রিক, ছোত মনের (হিসাবী), প্রথমে পাথর নিক্ষেপ কর
এবং পরে নিজের সুরক্ষার জন্য তাঁর নাম ব্যবহার কর।
ঈশ্বর মনে করেন, সূর্য পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে-
ঈশ্বর মনে করেন, কোপারনিকাস বিভ্রান্তিতে ছিলেন,
ঈশ্বর মনে করেন, গর্ভপাতএকটি হত্যাকান্ড এবং
ঈশ্বর মনে করেন, বিজ্ঞান আমাদের যা কিছু দিয়েছে সবকিছুই ভুল।
ঈশ্বর মনে করেন, মহিলাদের এটা (গর্ভ ধারন এবং স্নতান জন্মদান) প্রাপ্য;
ঈশ্বর মনে করেন, এইডস এক প্রকার শাস্তি,
আমি তাদের ঘৃণা করি, যারা নিজের দূর্বলতার জন্য শয়তানকে দোষারোপ করে এবং
আমি তাদেরও ঘৃণা করি, যারা ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেয় যখন সবকিছু তার মনমত হয়।
আর আমি-
আমি জানি ঈশ্বর কি ভাবেন!
ঈশ্বর মনে করেন তুমি একটা গাধা (ইডিয়ট);
ঈশ্বরের প্রথম পছন্দ একজন পাষণ্ড!
ঈশ্বর! ঈশ্বর!
ঈশ্বর মনে করেন, তোমার মত সকল মানুষই মন্দ,
ঈশ্বর মনে করেন, তোমার মত সকল মানুষই এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের জন্য (অপমানজনক/ কুলাঙ্গার) বিব্রত কর বিষয়;
তুমি আত্মকেন্দ্রিক, ছোত মনের (হিসাবী), প্রথমে পাথর নিক্ষেপ কর
এবং পরে নিজের উদ্দেশ্য হসিলের তাঁর নাম ব্যবহার কর।
ঈশ্বর হলেন উদার,
ঈশ্বর হলেন একজন ডেমোক্র্যাট,
ঈশ্বর চান তুমি রিপাবলিকানে ভোট দাও।
সেই মানুষকে কক্ষনো বিশ্বাস করো না, যে কথায় কথায় ঈশ্বরের নাম মুখ আনে
এবং বলে যে এটা পরম সত্য;
বরং তা একেবারে মিথ্যা এবং তা থেকে মৃত্যুর গন্ধ আমি (ঈশ্বর) পাচ্ছি।
এটা এমন কাজ- যেন কোন গরীবের সারা দিনের উপার্জন কেড়ে নেয়া।
তোমারা এটি ভাবলে কি করে যে ঈশ্বরের দরকার
তোমার ঐ নোংরা অর্থের?
যদি তিনি একটি পবিত্র যুদ্ধ শুরু করতে চান?
আত্মকেন্দ্রিক, ছোত মনের (হিসাবী), প্রথমে পাথর নিক্ষেপ কর
এবং পরে নিজের সুরক্ষার জন্য তাঁর নাম ব্যবহার কর।
ঈশ্বরের মনে করেন অহংকারী যুবকদের মরে যাওয়া প্রয়োজন এবং
ঈশ্বর মনে করেন শিশুদের ডুবে মরে যাওয়া প্রয়োজন !
‘কারণ ঈশ্বর যেমন ভাল না ! তেমনি খারাপও না!
ঈশ্বর মানে তুমি এবং ঈশ্বর মানে আমি।
ঈশ্বর সবকিছু/ সবকিছুই ঈশ্বর।
-ভাষান্তরঃ বাহার
৯/৯/১৩, নারায়ণগঞ্জ।
ভাল না হয় নাই বাসলে-
ক্ষতি কী? ঘৃণা অন্তত কর!
ঘৃণাগুলোকে সঞ্চয় করে নেব-
আমার হৃদয় সিঁন্দুকে।
কেননা, আমি নিঃস্ব হতে চাই না।
তোমার মাদকীয় অধর
আমার কপোল নাই বা ছুঁল!
তোমার কোমল হাতের স্পর্শ (এ)
আমার গাল তো রক্তিম হবে!
সেই স্মৃতি না হয় সঙ্গী হবে-
নিদ্রহিীন রাত্রিযাপনের।
ঝড়ের পাখি
(২০০৬ সালের কোন এক সময়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)
একটা মেয়ে সে; যাকে দেখলে কেমন করে-
প্রেমিকা নয়, প্রেম জাগায় সে অন্যেরই অন্তরে।
অদ্ভুত সে, অদ্ভুত তার অদ্ভূতময় সব।
উচ্ছলতায় উদ্যমতায় জমিয়ে দেয় ভাব।
অন্ধ সে নয়নের আলোয় নিজেকে দেখে না,
অন্যের চোখে নিজেকে দেখার লোভ সে করে
না।
তারপরেও হঠাৎ করে অন্যের চোখে চোখ পড়ে,
মর্ত্যের এই পঙ্কিলতায় স্বর্গটা
এসে ধরা পড়ে।
কত করে বলি- বারে বারে বলি
স্বর্গটাকে কী যায় ধরা?
ঘুম থেকে উঠে- স্বপ্ন ভেঙে বুঝল
তার ভুল করা।
সংগ্রামী সে, সংগ্রাম তার রক্তের
মাঝে আছে মিশে-
দুঃখ- হতাশা মুহূর্তেই সে যায়
দলে; দেয় পিষে।
তার মুখেরই অগ্নিবানী, তার নয়নের দৃঢ়তায়-
জীবনটাকে ধরতে বাজি; যুদ্ধে এ মন
নামতে চায়।
-ঝড়ের
পাখি
২৭-০২-২০০৭
সূর্য ওঠে- অস্তও হয়তো বা যায় !
ফুলটাও কাঁদিয়া ঝরিয়াও যায়।
অনেক কষ্ট থাকে মেঘের বুকে,
তাই বুঝি এই নদী বহে আমারই দুচোখে।
চাঁদটাতো সুন্দর, জোছনাও সুন্দর,
কান্নাটা লুকিয়ে রাখে মোর অন্তর।
– ঝড়ের পাখি